সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তপন কান্তি দে’কে সরকারি চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি কানাইঘাট সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে মোহরার পদে কর্মরত ছিলেন।
জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত তপন কান্তি দে প্রায় দেড় বছর ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও পলাতক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।
সিলেট জেলা রেজিস্ট্রার মো. জহুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত গত ২৭ জানুয়ারির (স্মারক নং-২৬-০৬) এক আদেশে তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া তপন কান্তি দে গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ হাতিম গ্রামের তৃপ্তি রঞ্জন দে ও ষষ্ঠী রানী দে’র ছেলে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি কোনো অনুমতি ছাড়াই অফিস ত্যাগ করেন। এ সময় অফিসের ডাটাবেজ সংবলিত একটি কম্পিউটার এবং পাশের কয়েকটি দোকানের বকেয়া অর্থ নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে নোটিশ দিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। দীর্ঘ সময়েও কর্মস্থলের সঙ্গে যোগাযোগ না করায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (নং-০১/২০২৬) করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চূড়ান্তভাবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।