অনলাইন নিউজ ডেস্ক
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো শিক্ষক অংশ নিতে চাইলে তাকে আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত ‘গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট অ্যান্ড মাল্টিপিলার গ্রান্ট ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে সরকার উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। এসব বিনিয়োগের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছেন।
তিনি বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষা খাতের সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থাগুলোর প্রতি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সেই সহায়তার কার্যকর ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় অর্থবহ পরিবর্তন আনতে এবং শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, চলতি বছর ইউনেস্কো ও ইউনিসেফের মাধ্যমে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশন (জিপিই) বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের জন্য প্রায় ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে।