অনলাইন নিউজ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে তার রাষ্ট্রীয় জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ৩৬ বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব পালন করা খামেনির জানাজায় প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনটি হলে এটি হবে ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজার অন্যতম।
জানাজা শেষে খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তিনি এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। দীর্ঘ সংঘাতের কারণে কয়েক মাস পর তার দাফনের আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এদিকে বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি তার বাবা আলি খামেনির জানাজার নামাজ পড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। ভারতে নিযুক্ত সুপ্রিম লিডারের প্রতিনিধি হাকিম ইলাহী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাকিম ইলাহীর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসতে চেয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। এমনকি তিনি নিজেই জানাজার নামাজ পড়াতে আগ্রহী ছিলেন। তবে নিরাপত্তাবাহিনী তাকে জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে আসা তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
মোজতবা খামেনি জানাজার নামাজ পরিচালনার জন্য অন্য কাউকে মনোনীত করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হাকিম ইলাহী বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো নাম উল্লেখ করেননি। তার মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে নতুন সর্বোচ্চ নেতাই জানাজার নামাজে ইমামতি করতেন। তবে বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে তা সম্ভব হচ্ছে না।