অনলাইন নিউজ ডেস্ক
বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, এখন আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই; যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রায় সাত বছর পাঁচ মাস পর রাশেদ খাঁনকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। ওই নির্বাচনে জিএস পদে ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয়।
উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে।’
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠন ও কোটাবৈষম্য দূর করা। বর্তমান বাংলাদেশে চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে জিএস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।
তিনি আরও বলেন, অন্যায় করে কেউ পার পায় না—এ বিষয়টি শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরাও বুঝতে পারছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। একই সঙ্গে কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।