অনলাইন নিউজ ডেস্ক
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচিত হলে সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করবেন না বলে তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা এখনো অনুসরণ করছেন। তবে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হওয়ায় তিনি সেই অর্থ একটি কওমি মাদরাসার নামে ওয়াকফ করে দিয়েছেন।
বুধবার রাতে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আল্লাহ আমাকে এই টাকা ছাড়াও আগে চালিয়েছেন, এখনো চালাবেন। তাই ব্যক্তিগতভাবে এই অর্থের প্রয়োজন নেই।”
ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ইসলামী ব্যাংক কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। এটি দেশের জনগণের ব্যাংক, বিশেষ করে যারা এখানে আমানত রেখেছেন, তাদের ব্যাংক। আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে আমি সবসময় তাদের পাশে থাকব।”
তিনি আরও বলেন, “যদি কখনো ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর অন্যায় করা হয়, আমি সবার আগে তাদের পক্ষে দাঁড়াব।”
ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়েও সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। তিনি অভিযোগ করেন, একজন ‘ফ্যাসিস্টের দোসরকে’ ইসলামী ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “একজন ঋণখেলাপির স্বামী কি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হতে পারেন?”