বিশেষ করে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৩৫ নং ওয়ার্ডসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা প্রশস্ত করার কাজে দীর্ঘদিন ধরে খুঁড়ে রাখা গর্ত এখন পরিণত হয়েছে মশার বংশবিস্তারস্থলে।
স্থানীয়রা জানান, এসব গর্তে বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা। ফলে সেখানেই জন্ম নিচ্ছে ডেঙ্গুবাহিত এডিস মশা। মশার উপদ্রব এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সন্ধ্যার পর ঘরের বাইরে বের হওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের মশা নিধন কার্যক্রমের জন্য প্রতিবছর বরাদ্দ থাকলেও কার্যত তার কোনো সুফল পাচ্ছেন না সাধারণ নাগরিকরা। এলাকাবাসী একাধিকবার সিসিকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও পাননি কাঙ্ক্ষিত কোনো পদক্ষেপ।
৩৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“রাস্তা খুঁড়ে রেখে গেছে, এখন সেই গর্তে পানি জমে মশা জন্মাচ্ছে। আমরা তাদেরকে এ ব্যাপারে জানিয়েছি, কিন্তু কেউ আসে না।”
এদিকে চিকিৎসকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিলেট নগরীতেও বড় আকারে প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে।
নগরবাসীর দাবি, সিটি কর্পোরেশন যেন জরুরি ভিত্তিতে মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করে এবং রাস্তা সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে নাগরিকদের স্বস্তি ফিরিয়ে আনে।
এ ব্যাপারে দৈনিক সিলেটের সংবাদের প্রতিবেদককে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার জানান
সিটি কর্পোরেশনের বর্ধিত এলাকাগুলোর কাজ আমাদের চলমান রয়েছে, যেহেতু এতদিন বর্ষার সিজন ছিলো তাই কাজ কিছুটা ধীর ছিলো , এখন শুকনার সিজন চলে আসছে, এখন কাজ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে ।কাজ চলমান থাকা অবস্থায় কিছুটা কষ্ট শিকার করতে হয়। কাজ সম্পন্ন হলে সুফল তো এলাকাবাসীরাই ভোগ করবেন। মশার যেই বিষয়টা বললেন এটার ব্যাপারে আমরা সিটি কর্পোরেশন থেকে মশক নিধন কার্যক্রম ইতমধ্যে শুরু করেছি, স্পেসিফিকলি এসব এলাকায় যাতে আগে মশক নিধন ঔষধ দেওয়া হয়,সেই নির্দেশনা দিয়ে দিব।