নির্বাচনে কোনো ধরনের মব বা সহিংসতার চেষ্টা ধরা পড়লে শুধু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র নয়, পুরো আসনের ভোট গ্রহণও স্থগিত করা হবে। এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে এবং কোনোভাবেই ইলেকশনকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা তিন স্তরে গ্রহণ করা হয়েছে—কেন্দ্রভিত্তিক, ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স। এই দায়িত্বে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য কাজ করবেন। পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তায় অংশগ্রহণ করবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসার।
আইজিপি বাহারুল আলম জানান, গত নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের এবার নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে এবং পুলিশ সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা রাখা হয়েছে এবং ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছে। ১১ ডিসেম্বর থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৩১৭টি সহিংস ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ৫ জন নিহত এবং ৬০৩ জন আহত হয়েছেন।