অনলাইন নিউজ ডেস্ক
জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে মসজিদ ও কয়েকটি কক্ষে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালনকারী ডেপুটি স্পিকারও বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, বৃষ্টির দিনে তার নিজের কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে এবং তা সামাল দিতে বাটি রাখতে হয়।
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি উত্থাপন করেন হুইপ জি কে গউছ।
তিনি বলেন, সংসদ ভবনের ওপরের তলায় অবস্থিত মসজিদে ছাদ ফেটে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করছে। পানি সংগ্রহের জন্য সেখানে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হওয়া সংসদ ভবনের এমন অবস্থা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
এর জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিষয়টি তারও জানা রয়েছে। তিনি জানান, বৃষ্টির দিনে তার নিজ কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে। ফলে মেঝেতে বাটি রেখে পানি সংগ্রহ করতে হয়। তার এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি হলেও ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ পায়।
পরে চিফ হুইপ জানান, সংসদ ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং যেসব স্থানে পানি চুইয়ে পড়ছে, সেগুলোর মেরামতকাজ শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় ডেপুটি স্পিকার গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী জানান, ভবনের ছাদ সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা হবে।