অনলাইন নিউজ ডেস্ক
চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে বাঁশখালীতে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বাঁশখালীর সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর গ্রামের বাড়িতে রাতযাপন করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
রোববার রাতে ত্রাণ কার্যক্রম শেষে তারা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈলছড়ি গ্রামের ‘মিয়াবাড়ি’ নামে পরিচিত ওই বাড়িতে ওঠেন। সেখানে নৈশভোজের পর রাতযাপন করেন। তবে ওই সময় মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী নিজে গ্রামের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কারণ, আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নির্বাচনে সহযোগিতার অভিযোগে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবিতে অতীতে আন্দোলন করেছিল এনসিপিসহ কয়েকটি সমমনা রাজনৈতিক দল। সেই প্রেক্ষাপটে জাতীয় পার্টির এক শীর্ষ নেতার বাড়িতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এনসিপির স্থানীয় নেতাদের দাবি, নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহ জানতেন না যে এটি মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর নিউইয়র্কপ্রবাসী ভাই রায়হানুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে এনসিপি নেতাদের দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে। তাঁর আমন্ত্রণেই তারা ওই বাড়িতে অবস্থান করেন।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে দলের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী পরিবেশ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁর সঙ্গেই তাদের যোগাযোগ রয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি যে জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বাড়ি, সে তথ্য কেন্দ্রীয় নেতাদের জানা ছিল না।
অন্যদিকে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাড়িটি তাঁর একার নয়; এটি ছয় ভাইয়ের যৌথ পারিবারিক বাড়ি। তাঁর নিউইয়র্কপ্রবাসী ভাইয়ের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের পরিচয়ের সূত্র ধরেই তারা সেখানে অবস্থান ও রাতযাপন করেছেন।