
সিলেটের স্বাস্থ্যসেবা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল স্থাপনের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশিত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের ভূমিকা ও প্রচেষ্টার কথা স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচনের আগে সিলেটের জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা অপ্রতুল থাকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। হাসপাতালটির অনুমোদনকে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, সিলেটে উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার চাহিদা দীর্ঘদিনের। চিকিৎসার জন্য অনেক রোগীকে ঢাকা কিংবা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যেতে হয়। নতুন এই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু হলে রোগীদের ভোগান্তি কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের নেতারা বলছেন, হাসপাতালটির অনুমোদন সিলেটের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নে একটি বড় অর্জন। তাঁরা মনে করেন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের উদ্যোগ ও সরকারের সহযোগিতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে।
এদিকে হাসপাতাল অনুমোদনের খবরে সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে এবং জনগণ এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই হাসপাতাল প্রকল্প সিলেটের উন্নয়নের যাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। তাঁদের প্রত্যাশা, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে সিলেটে আরও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে এবং অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।