অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়, অননুমেয়, অভাবনীয়—এসব বিশেষণও যেন এখন আর্জেন্টিনার প্রত্যাবর্তনের গল্পের সামনে ম্লান। তাই শেষ পর্যন্ত একটাই কথা বলা যায়—আর্জেন্টিনা, আর কত!
এই আটলান্টাতেই একসময় মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে সেই ম্যাচের জয় ঘিরে ছিল বিস্তর বিতর্ক।
কিন্তু এবার কোনো বিতর্কের অবকাশই রাখলেন না লিওনেল মেসি, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, এনজো ফার্নান্দেজরা। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ৮৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচ তখন ইংল্যান্ডের দিকেই হেলে পড়েছে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হয় আর্জেন্টিনার আরেকটি অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন—যে গল্পে নেই কোনো বিতর্ক, নেই কোনো সমালোচনার সুযোগ; আছে শুধু গর্ব করার মতো এক অনন্য লড়াই।
৮৫ মিনিটে বক্সের বেশ বাইরে থেকে নেওয়া এনজো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত এক বুলেটগতির শটে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে বদলি হিসেবে নামা লাউতারো মার্তিনেজ করেন জয়সূচক গোল।
শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মেসির দল। আগামী রবিবার নিউ জার্সিতে শিরোপার লড়াইয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ স্পেন।