অনলাইন নিউজ ডেস্ক
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) আবাসিক হলের ক্যান্টিনের নিম্নমানের খাবার নিয়ে ফেসবুক গ্রুপে অভিযোগ করার জেরে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী খাইরুল খন্দকার সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক হাসিবুর রহমান এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক তারেক রহমান।
প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, প্রধান ফটকের সামনে তর্কের একপর্যায়ে খাইরুলকে হাসিব লাথি মারেন এবং তারেক তাকে আঘাত করেন। খাইরুলের অভিযোগ, হলের ক্যান্টিনে পচা মাছ পরিবেশন ও নিম্নমানের খাবার নিয়ে ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট দেওয়ার জেরেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
তবে অভিযুক্ত তারেক রহমান মারধরের অভিযোগ অস্বীকার না করে দাবি করেন, খাইরুলের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে তাদের পক্ষেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এদিকে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ মারধরের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কাউকে এমন নির্দেশ দেননি এবং সব শিক্ষার্থীর অভিযোগ সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।