অনলাইন নিউজ ডেস্ক
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দেশের একমাত্র ভাসমান এলএনজি (LNG) টার্মিনালে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকা ও তিতাস গ্যাসের আওতাধীন আশপাশের এলাকাগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গৃহস্থালি রান্নাবান্না এবং গণপরিবহন খাতে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকেই রাজধানীর অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশনে পর্যাপ্ত গ্যাসচাপ না থাকায় চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। অনেক স্টেশন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে ‘গ্যাস নেই’ নোটিশ টাঙিয়ে দেয়। সিএনজি অটোরিকশা ও প্রাইভেটকার চালকেরা জানান, পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় দৈনিক আয় ও জমা পরিশোধ নিয়ে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।
এদিকে গ্যাস সংকটের তীব্র প্রভাব পড়েছে রাজধানীর আবাসিক এলাকাগুলোতেও। যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর ও বনশ্রীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোর থেকেই চুলায় গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতে সকালের নাশতা থেকে দুপুরের খাবার প্রস্তুত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা।
গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস জানিয়েছে, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে সৃষ্ট কারিগরি ত্রুটি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিল্প, বাণিজ্যিক ও আবাসিক—সব শ্রেণির গ্রাহককে গ্যাসের স্বল্পচাপ বা সাময়িক সরবরাহ বিঘ্নের সম্মুখীন হতে হতে পারে।