ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যের উপজাতিদের অন্যতম স্বশাসিত অঞ্চল কার্বি-আংলং এলাকায় সহিংসতায় দুজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে এবং মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।
উপজাতীয়দের এলাকায় হিন্দিভাষী, বাঙালি ও নেপালিরা 'দখল করে রেখেছে' এবং ওই 'বহিরাগতদের উৎখাত করতে হবে'–– এই দাবি নিয়ে অনশন আন্দোলন চলছিল গত ছয়ই ডিসেম্বর থেকে।
সোমবার অনশনকারীদের 'তুলে' গুয়াহাটিতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। তারপরে সহিংসতা শুরু হয়। মঙ্গলবারও সহিংসতা চলেছে।
আসাম পুলিশের মহাপরিচালক হরমিত সিং সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন যে তিনি নিজে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন।
মহাপরিচালক জানিয়েছেন, "অনশন আন্দোলন যারা করছিলেন, তাদের নেতাকে চিকিৎসার জন্য গুয়াহাটিতে নিয়ে যাওয়া হয় ডাক্তারদের পরামর্শেই। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হচ্ছিল। এরপরই ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।"
এরপরেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীরা একটি সেতু দখল করতে চেষ্টা করলে তার বাহিনী যখন বাধা দেয়, তখন পুলিশের ওপরে বোমা নিক্ষেপ করে ও তীর ছুঁড়ে হামলা চালানো হয় বলে মন্তব্য করেছেন হরমিত সিং।
এরপরে বহিরাগতদের দোকান ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় ইট ছোঁড়াছুঁড়ি করতে দেখা যায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ভিডিওতে।