অনলাইন নিউজ ডেস্ক
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেছেন, অপরাধী ধরার অভিযানের পরিকল্পনা আগাম প্রকাশ করা সম্ভব নয়। কারণ আগে থেকে জানানো হলে অপরাধীরা সতর্ক হয়ে যাবে এবং অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও দুইজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাউজানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে এসপি বলেন, জেলা পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এসব অভিযানের কৌশল গোপন রাখাই কার্যকর।
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি জানান, বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় অপরাধী চক্রের বিষয়ে পুলিশের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জেলা গোয়েন্দা শাখার অভিযানে পটিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং দেলোয়ার হোসেন (৫৪) ও মহসিন (৩৩) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেলোয়ারের বাড়ি থেকে ছয়টি কিরিচ, পাঁচটি রামদা, একটি ধামা, একটি লোহা কাটার ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে ছাতিভাঙা এলাকার একটি বাগানে অভিযান চালিয়ে দুটি একনলা বন্দুক ও আরও দুটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এসপি মাসুদ আলম বলেন, চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় গড়ে ওঠা ছোট ছোট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও আরও বড় অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।