
চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে যে, আমরা কোনো ধরনের অস্ত্র বহন করেছি, তাহলে আমি স্বেচ্ছায় কারাবরণ করব।
থানায় হয়রানির অভিযোগ তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, হামলার পর বিচারের দাবিতে ঝিনাইদহ সদর থানায় গেলে সেখানে প্রায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হয়। ওসি ও এএসপি থানা থেকে সটকে পড়েন। রাতের অন্ধকারে বাইরে থেকে লোক এনে আমাদের মারার হুমকি দেওয়া হয়।
শেষ পর্যন্ত এজাহার জমা দিতে পারলেও পুলিশ ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল মজিদের নাম বাদ দেওয়ার শর্ত দেয় বলে দাবি করেন তিনি। পাটওয়ারীর মতে, পুলিশ হামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে তাদেরও একটি পাল্টা মামলা দিতে উৎসাহিত করে।
এর আগে, গত শুক্রবার ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই হামলার শিকার হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার সঙ্গীরা। সেসময় হামলার জন্য ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন তিনি।