অনলাইন নিউজ ডেস্ক
পবিত্র আশুরার শাশ্বত শিক্ষা মানুষকে অন্যায়, অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে অনুপ্রাণিত করে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেছেন, আশুরার আদর্শ সত্য, ন্যায় ও মানবতার পথে চলার প্রেরণা জোগায় এবং আলোকিত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আগামীকাল পবিত্র আশুরা (১০ মহররম) উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।
বাণীতে তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.), তার পরিবারের সদস্য এবং কারবালার ময়দানে শাহাদতবরণকারী সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র আশুরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বেদনাবিধুর একটি দিন। ইসলামের ইতিহাসে এ দিনের সঙ্গে বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা জড়িয়ে থাকলেও কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার সঙ্গীদের আত্মত্যাগ আশুরাকে বিশেষ মর্যাদা ও গভীর মানবিক তাৎপর্য দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তার অনুসারীদের আত্মদান মানবজাতির জন্য চিরন্তন প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তাদের ত্যাগ ও আদর্শ যুগে যুগে মানুষকে ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেবে।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, ইসলাম শান্তি, কল্যাণ, সত্যনিষ্ঠা ও আত্মশুদ্ধির ধর্ম। এ ধর্ম মানুষকে ন্যায়পরায়ণতা, ত্যাগ ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে। পাশাপাশি সব ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও সংঘাত পরিহার করে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সমাজ গঠনের আহ্বান জানায়।
পবিত্র আশুরার শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলিত হোক—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি একটি সাম্যভিত্তিক, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি এবং অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করেন।