খেলাধুলা

মুস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতকে নিয়ে আসিফ মাহমুদের মন্তব্য

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশের বৈরি সম্পর্কের পালে নতুন করে হাওয়া লেগেছে। আজ (শনিবার) ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। তারপর থেকে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। ভারতকে বয়কটের ডাক প্রবলভাবে জোরালো হয়েছে। আগামী মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে বাংলাদেশকে ভারতে না যাওয়ার আহ্বান করা হয়েছে। এবার বাংলাদেশের উপদেষ্টামন্ডলীর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এনিয়ে কথা বললেন।
সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ভারতকে উগ্র রাষ্ট্র আখ্যা দিয়ে দাবি জানিয়েছেন, ভারতকে কোনো আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। গত বছর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নানা অস্থিরতা তৈরি হলেও বাংলাদেশে এসে ভারতীয়রা যে নিরাপত্তা পেয়েছে, সেটাও মনে করিয়ে দেন তিনি।
ফেসবুকে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, ‘এরকম একটা উগ্র রাষ্ট্রকে কোনোপ্রকার আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া উচিত না। সরকার এবং বিসিবির (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) যৌথ উদ্যোগে অপরাপর ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ভারতকে আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজনের অনুপযুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা উচিত। ৫ আগস্টের পরেও বাংলাদেশে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের অসংখ্য টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে যেখানে ভারতীয়রা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং প্রতিযোগিতা পূর্ণ পরিবেশে অংশগ্রহণ করেছে।’
বিশ্বকাপের আগে দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভারতীয়রাও। সাবেক এক বোর্ড কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এমন আচরণ অন্যায্য। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এক নয়। তাদের সঙ্গে ভারতের ভিন্ন রকম আচরণ করা উচিত ছিল। বিসিসিআইয়ের এমন সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মদন লাল। খেলাধুলায় রাজনীতির প্রভাব বাড়ছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মদন লাল বলেন, ‘আমার মনে হয়, বিসিসিআই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ তাদের সিদ্ধান্তকে কেউ চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। এমনকি শাহরুখ খানও নন, কারণ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বিসিসিআইয়ের অধীনেই পড়ে।
তাই বিসিসিআই যা চায়, সেটাই কার্যকর হয়। আমি বুঝতে পারছি না কেন খেলাধুলার ভেতরে এত রাজনীতি ঢুকে পড়ছে। ক্রিকেট কোন দিকে যাচ্ছে, খেলাধুলাই বা কোন পথে—তা নিয়ে আমি সত্যিই চিন্তিত। বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা খুবই দুঃখজনক।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button