

নিজস্ব প্রতিবেদক,
সিলেট | ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
‘সংগ্রামের পথ ভিন্ন, অভিন্ন লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে ‘বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে।
র্যালি ও কর্মসূচির উদ্বোধন
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ক্যান্সার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ সরদার বনিউল আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
র্যালির শুভ উদ্বোধন করেন:
অধ্যাপক ডাঃ জিয়াউর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।
ব্রিগেডিয়ার ডাঃ উমর রাশেদ মুনির, পরিচালক, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ সালেহ আহমেদ, উপাধ্যক্ষ।
ডাঃ মাহবুবুল আলম, উপপরিচালক।

মানবিকতা ও সচেতনতার বার্তা
র্যালি পরবর্তী কর্মসূচিতে চিকিৎসকগণ সমন্বিতভাবে দিবসটি উপলক্ষে কেক কাটেন। এসময় এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে উপস্থিত চিকিৎসকরা একজন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে নিজ হাতে কেক খাওয়ান এবং উপস্থিত সবাইকে এই মরণব্যাধি সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
আলোচনা সভায় বক্তারা ক্যান্সারের ভয়াবহতা ও প্রতিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করেন। ক্যান্সার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ সরদার বনিউল আহমেদ জানান, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি মানুষ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে রোগীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগ হলেও সঠিক সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত টিকাদান ও প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ এবং নিরাময়যোগ্য।
উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন:
অধ্যাপক ডাঃ জামিলা খাতুন, বিভাগীয় প্রধান (গাইনি এন্ড অবস)।
অধ্যাপক ডাঃ খালেদ মাহমুদ, বিভাগীয় প্রধান (সার্জারি)।
সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ নূরুল হুদা নাইম, বিভাগীয় প্রধান (নাক-কান-গলা)।
সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম এ মান্নান, বিভাগীয় প্রধান (প্লাস্টিক সার্জারি)।
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ক্যান্সার বিভাগ।
এছাড়াও মিড লেভেল ডাক্তার ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক ও সেবিকাবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
প্রতিবেদন জাহিদুল ইসলাম পিয়াস



