বিশেষ প্রতিবেদন

১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ, ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভা, কে পাচ্ছেন কোন মন্ত্রণালয়!

আল আমিন, সম্পাদক ও প্রকাশক
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর ঠিক দুই দিন পরে, ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি দল এবার তরুণ ও উচ্চশিক্ষিত নেতাদেরও গুরুত্বপূর্ণ পদে আনার পরিকল্পনা করছে।
উল্লেখযোগ্য মন্ত্রণালয় যেমন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন, অর্থ ও সমাজকল্যাণের দায়িত্বে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন নাম আলোচনায় রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে আসতে যাচ্ছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া, যিনি ৩০ বছর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এ জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হিসেবে কাজ করেছেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিতে পারেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, তিনি ২০০১ থেকে ২০০৪ সালে বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন সদ্য সাবেক এটর্নি জেনারেল  আসাদুজ্জামান । সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে থাকতে পারেন সালাউদ্দিন আহমেদ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন সমাজসেবামূলক কাজের জন্য খ্যাত ড. এম এ মুহিত।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন টেকনোক্র্যাট কোটায় মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক। 
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনায় আছেন টেকনোক্র্যাট কোটায় ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসিম।
এছাড়া বিএনপির হাইকমান্ড থেকে আরো কয়েকজনের নাম মন্ত্রিসভার জন্য আলোচনায় এসেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আন্দালিব রহমান পার্থ, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রুহুল কবির, ইকবাল হাসান টুকু, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মাহদী আমিন, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সেলিমা রহমান, শামা ওবায়েদ, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুল ইসলাম (টেকনোক্র্যাট), সালেহ শিবলী (টেকনোক্র্যাট), মাহমুদুর রহমান মান্না (টেকনোক্র্যাট), হাবিবুন নবী খান সোহেল (টেকনোক্র্যাট), ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল, নওশাদ জমির, মীর হেলাল, আসাদুল হাবিব দুলু ও মো. শরীফুল আলম।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হওয়ার তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button