

শুল্ক আরোপের বিষয়ে ট্রাম্প নির্দিষ্ট করে কিছু না জানালেও এ নিয়ে তিনি স্পষ্ট হুমকি দিয়েছেন।
গ্রিনল্যান্ডে তেল, গ্যাস ও বিরল খনিজসহ বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের মজুত রয়েছে। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যবর্তী অবস্থানের কারণে ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থা ও নৌযান নজরদারিতে দ্বীপটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনার বিরোধিতা শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডই নয়, আরও কয়েকটি দেশ করেছে। সিএনএনের এক জরিপে দেখা গেছে, এ পরিকল্পনার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সমর্থন জানিয়েছেন।
সিএনএন জানায়, ন্যাটোর সবচেয়ে শক্তিশালী সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরেক সদস্য দেশের ভূখণ্ড কেনা বা দখলের প্রস্তাব ইউরোপের কয়েক দশক পুরোনো নিরাপত্তা জোটকে বড় সংকটে ফেলেছে। ট্রাম্পের বক্তব্যের জেরে ইউরোপজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ডেনমার্ক সতর্ক করে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডে কোনো ধরনের হামলা কার্যত ন্যাটোর সমাপ্তি ডেকে আনবে। এরই মধ্যে বুধবার দেশটি ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। পরে ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেন জানিয়েছে, তারা চলতি সপ্তাহেই গ্রিনল্যান্ডে সামরিক সদস্য মোতায়েন করবে। পাশাপাশি কানাডা ও ফ্রান্স আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে কনস্যুলেট খোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে।



