আন্তর্জাতিক

গাজায় সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে ৫ দেশ

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ)-এ যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর বৈঠকে নতুন বাহিনীর কমান্ডার মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স এ ঘোষণা দেন। খবর Al Jazeera-এর।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ডের বৈঠকে জেনারেল জেফার্স বলেন, এই প্রথম পদক্ষেপের মাধ্যমে গাজায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করা হবে।

তিনি জানান, ইন্দোনেশিয়া বাহিনীতে ডেপুটি কমান্ডার পদ গ্রহণ করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট Prabowo Subianto বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন, তার দেশ গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ ৮,০০০ সেনা পাঠাবে। প্রাবোও বলেন, এই শান্তি কার্যকর করতে আমরা অবদান রাখব।

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট Kassym-Jomart Tokayev জানান, তার দেশ চিকিৎসা ইউনিটসহ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা পাঠাবে। মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী Nasser Bourita বলেছেন, তার দেশ গাজায় পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েনে প্রস্তুত।

আলবেনিয়া, যার প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন, সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। প্রতিবেশী দেশ মিসর ও জর্ডান পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অংশ নেবে বলেও জানানো হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি। দেশটি জোর দিয়ে বলেছে, এই অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য গাজায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং ইসরায়েলের চলমান হামলা বন্ধে সহায়তা করা। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭২,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএসএফ-এর প্রথম দল হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার সেনারা গাজায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বাহিনীটি রাফাহর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থান করবে এবং সেখানে অফিস ও আবাসন নির্মাণের কাজ চলছে।

এই উদ্যোগ গাজায় চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button