

হেলাল আহমদ : জৈন্তাপুর
তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত পুরো দেশ। নতুন বছরের শুরুতেই এই শোক যেন আরও গভীর হয়েছে। জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হলেও এখনো তার সমাধিস্থল সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) জানাজা শেষ হওয়ার পরপরই খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে জিয়ারতের উদ্দেশ্যে মানুষের আগমন শুরু হয়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নিতে চাইলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রবেশপথ বন্ধ থাকায় তারা ভেতরে যেতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোর থেকেই বিজয় সরণি এলাকায় সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ফজরের নামাজের পর থেকে একের পর এক দল সমাধিস্থলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে বিজয় সরণির মোড়ে পুলিশের বসানো ব্যারিকেডে আটকে দেওয়া হয় সবাইকে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সমাধিস্থলে সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও জিয়ারত স্থগিত থাকবে। এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এরই মধ্যে বিএনপির এক যুগ্ম মহাসচিব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি ব্যারিকেডের বাইরে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করে চলে যান। এ সময় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি একজন রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিত্ব। তার মৃত্যু ও জানাজাসহ সব আনুষ্ঠানিকতা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে।
প্রবেশ নিষেধ থাকায় অনেক মানুষ ব্যারিকেডের বাইরে দাঁড়িয়েই দোয়া করে ফিরে যাচ্ছেন। ফলে বড় ধরনের জনসমাগম সৃষ্টি হয়নি। নেতাকর্মীরাও কিছুক্ষণ অবস্থান করে স্থান ত্যাগ করছেন।
এদিকে যারা দেশের বাইরে অবস্থান করায় জানাজায় অংশ নিতে পারেননি, তারা পরবর্তীতে জিয়ারতের জন্য আসবেন বলে জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রশাসনিক অনুমতি পেলেই সাধারণ মানুষের জন্য সমাধিস্থল উন্মুক্ত করা হবে।



