অপরাধআইন ও বিচারবিভাগীয়স্থানীয়

মোগলাবাজারে কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানে ডাকাতির ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩ ডাকাত গ্রেফতার

মোগলাবাজার থানা পুলিশের অভিযানে ডাকাতির ২৪ ঘন্টার মধ্যে ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার , ০৩ ডাকাত গ্রেফতার:

 

০১/১২/২০২৫খ্রিঃ রাত ০৩:১৫ ঘটিকায় মোগলাবাজার থানাধীন লালমাটিয়া, রয়েল সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন সিলেট–ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেড-এর একটি কাভার্ড ভ্যানকে একটি সাদা নোহা গাড়ি ব্যারিকেড দেয়। নোহা ও একটি সাদা প্রাইভেট কার হতে ৬/৭ জন সশস্ত্র ডাকাত দল স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেড-এর চালক ও হেলপারকে মারধর করে ও হত্যার ভয় দেখিয়ে কনটেইনার খুলে প্রায় ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকার মালামাল লুট করে এবং হেলপারদের নিকট হতে ২টি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে ডাকাতেরা তাদের গাড়ি দুটিতে মালামাল তুলে দ্রুত সিলেট শহরের দিকে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে মোগলাবাজার থানার মামলা নং-০১/১৫২, তারিখ-০১/১২/২০২৫খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়।

অদ্য ০২/১২/২০২৫ খ্রিঃ রাত ০৩:১০ ঘটিকায় মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামছুল হাবিব এর সার্বিক নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী তোবারক হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ তথ্য প্রযুক্তি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে পশ্চিমভাগ আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতের শশুর বাড়ি হতে ১। সাকেল আহমদ (৩৩), পিতা-মৃত নুর মিয়া, মাতা-মনোয়ারা বেগম, সাং-পশ্চিমভাগ আবাসিক এলাকা, ৪১নং ওয়ার্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন-কে গ্রেফতার করেন। উক্ত ডাকাতকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তারিখ ০৩:৪০ ঘটিকায় পূর্ব শ্রীরামপুর এলাকায় নিজ বসতবাড়ি হতে ২। আক্তার হোসেন (৩৪), পিতা-মৃত আশ্রাব আলী, মাতা-সামরুপ খানম, সাং-পূর্ব শ্রীরামপুর, ৪২নং ওয়ার্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন‘কে গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে উভয়ের স্বীকারোক্তি ও তথ্যের ভিত্তিতে ভোর ০৫:২৫ ঘটিকায় সুলতানপুর এলাকা নিজ বসতবাড়ি হতে ৩। রিহাদ আহমেদ (৩৭), পিতা- মৃত আ: মজিদ @ ভলন মিয়া, মাতা-হাফসা বেগম, সাং-সুলতানপুর, ৪২নং ওয়ার্ড, সিলেট সিটি কর্পোরেশন, , সর্ব থানা-মোগলাবাজার, জেলা-সিলেট‘কে গ্রেফতার করেন। তিনজনেই উপস্থিত লোকজনের সামনে ডাকাতির ঘটনাটি অকপটে স্বীকার করে। পরবর্তীতে ভোর ০৫:৪৫ ঘটিকায় উক্ত আসামীদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে আসামী রিহাদ আহমেদের বাড়ির বাউন্ডারি ভেতরে কচুর ঝোপের ভিতরে লুকানো ০৩টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা ও ০২টি কালো পলিথিনের বস্তা এবং ০২টি খাকি রঙের কার্টুনে থাকা ডাকতির মালামাল উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে জব্দ তালিকা মূলে উদ্ধার করা হয়। আসামীরা স্বীকার করে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং সিলেট মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ডাকাতি করে আসছিল। আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীরদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

মেহেদী হাসান রাতুল

বিশেষ প্রতিনিধি ( সিলেট )

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button