

ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইরান তাদের প্রতিরক্ষা শক্তিকে নতুন পর্যায়ে উন্নীত করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুর রহিম মুসাভি। তিনি বলেন, সম্ভাব্য শত্রুর বিরুদ্ধে জবাব দিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে মেহের নিউজ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর একটি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাভিও উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে মুসাভি বলেন, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা, কারিগরি ও কার্যক্ষমতায় ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে ইরান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি শক্তিশালী অবস্থানে আছে। তিনি দাবি করেন, সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত।
তিনি আরও জানান, গত বছরের জুনে ১২ দিনের সংঘাতের পর ইরান তাদের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। আগের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে এখন অসম যুদ্ধ কৌশল এবং কঠোর প্রতিক্রিয়ার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
ওই সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পরমাণু আলোচনা চলাকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায় এবং এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। জবাবে ইরানও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায় বলে দাবি করেন তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে মুসাভি সতর্ক করে বলেন, শত্রুপক্ষের যেকোনো ভুল পদক্ষেপের তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। তার ভাষায়, ইরানি বাহিনী কোনো হুমকিতে বিচলিত নয় এবং প্রয়োজন হলে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত।



