

ক্ষমতায় গেলে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির এ ঘোষণাকে ঘিরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, কওমি মাদ্রাসার সিলেবাস পরিবর্তনের ঘোষণা এর স্বাতন্ত্র্য ও স্বকীয়তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার শামিল। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ প্রতিহত করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, কওমি মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য আলাদা বোর্ড রয়েছে, যেখানে দেশের শীর্ষ আলেমরা দায়িত্ব পালন করছেন। সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ্যক্রমে যেসব পরিবর্তন দরকার, তা তারা নিজেরাই করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ বা অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের ঘোষণা কওমি ধারার স্বাতন্ত্র্য ক্ষুণ্নের চেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসা নিজস্ব মূলনীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়ার কারণেই দ্বীনি শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় আছে। অন্যথায় আলিয়া মাদ্রাসার মতো এখানেও ধর্মীয় শিক্ষার পরিসর সংকুচিত হয়ে যেত বলে তিনি মত দেন।
মুফতি সাখাওয়াত আলিয়া মাদ্রাসা ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থার সমালোচনাও করেন এবং এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মহলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার দাবি, আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা ও মান রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ দেখা যায়নি।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামী। সেখানে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারি করা হবে এবং কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন করা হবে।



