

মেহেদী হাসান রাতুল ( সিলেট )
দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৩ সালের সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির ৪৩ জন প্রার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে দলটি।
রবিবার (৯ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ওই সিসিক নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএনপি। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ৪৩ জন নেতা প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।
দলীয় সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত নেতারা দলের হাইকমান্ডের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আবেদন করেন। তাদের আবেদন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দলের প্রতি অবদান বিবেচনা করে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। একই সঙ্গে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদও পুনর্বহাল করা হয়েছে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—
সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, মুফতি কমর উদ্দীন কামু, মিজানুর রহমান মিঠু, মো. কামাল মিয়া, খালেদ আকবর চৌধুরী, আমিনুর রহমান খোকন, শাহেদ সিরাজ, ফরহাদ চৌধুরী শামীম, মো. সাঈদুর রহমান জুবের, আব্দুর রহিম মতছির, নজরুল ইসলাম মুনিম, মো. মুজিবুর রহমান, এবিএম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল, সালমান চৌধুরী শাম্মী, বদরুল আজাদ রানা, মামুনুর রহমান মামুন, হুমায়ুন কবির সুহিন, অ্যাডভোকেট রুকশানা বেগম শাহনাজ, সেলিম আহমদ রনি, আলী আব্বাস, গোলাম মোস্তফা কামাল, সাহেদ খান স্বপন, জাবেদ আমিন সেলিম, রাজু মিয়া, সানর মিয়া, মো. আব্দুল মুকিত, অ্যাডভোকেট হেদায়েত হোসেন তানভীর, দুলাল আহমদ, গউছ উদ্দিন পাখী, দেলওয়ার হোসেন নাদিম, দিলওয়ার হোসেন জয়, উসমান হারুন পনির, আলতাফ হোসেন সুমন, আব্দুল হাছিব, সুমন আহমদ সিকদার, সালেহা কবির শেপী, রুহেনা বেগম মুক্তা, অ্যাডভোকেট জহুরা জেসমিন, কামরুন নাহার পিন্নি ও নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।



