

রংপুরে বিএনপির নির্বাচনী জনসমাবেশে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জুলাই সনদের পক্ষে সমর্থন জানাতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে লাল-সবুজ রঙের বাসে করে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। মঞ্চে উঠে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রধান অতিথির আসনে বসেন।
মঞ্চে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলুসহ রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয়-স্থানীয় নেতারা। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু।
এর আগে সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং পরে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেন।
দুপুর ২টার দিকে বগুড়া থেকে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তারেক রহমান। পথে মহাস্থানগড়ে হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পাশাপাশি মোকামতলা বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় অংশ নেন এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে গাড়ি থেকেই সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
বিকেল ৩টার দিকে কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে বিভাগের বিভিন্ন আসনের প্রার্থী ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।
দুপুরের পর থেকেই সমাবেশকে ঘিরে মানুষের ব্যাপক সমাগম দেখা যায়। জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার-ফেস্টুনসহ মিছিল নিয়ে মাঠে জড়ো হন। জনসমাগম ছড়িয়ে পড়ে কাচারী বাজার, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, সুরভী উদ্যান ও সিটি বাজারসহ আশপাশের এলাকায়।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। মঞ্চ ও পার্শ্ববর্তী এলাকাসহ পুরো ভেন্যুতে তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের সদস্য ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারাও দায়িত্ব পালন করেন। নগরীর বিভিন্ন তল্লাশি চৌকিতেও নজরদারি বাড়ানো হয়।



