অপরাধ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার এলাকার আয়শা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী কে রাতের বেলা ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার এলাকার আয়শা সিদ্দিকা মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী কে রাতের বেলা ঘরে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ।

মোগলাবাজারী ইউনিয়নের রিফাতপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জনাব ইউসুফ আলীর ছেলে শাহবুদ্দীন গত দুইদিন আগে আনুমানিক রাত ১টার দিকে প্রতিবেশী মৃত জনাব মসকন্দর আলী সাহেবের ঘরে ঢুকে তার ১৫ বছর বয়সী কনিষ্ঠ মেয়েকে গলাটিপে দরে ধর্ষণ করে।

ধর্ষনকারী শাহাবুদ্দীন পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন পরবর্তীতে মদ গাজা হিরোইন এবং ইয়াবা সহ আরও অধিক নেশাজাত দ্রব্যের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এবং নিজেও এসব মাধক সেবন করে মারাত্মক এক নেশাখোর হয়ে যান গাজা মদ ইয়াবা হিরোইন তার রক্তে মিশে যায়।

ধর্ষনকারী শাহাবুদ্দীন তার নিজ গ্রাম রিফাতপুরের আনাচে কানাচে বসে তার বহিরাগত মাদক কাষ্টমার এবং অন্যান্য মাদকাসক্তদের নিয়ে মাদক সেবনের আড্ডা বসায়।মাদকের পাশাপাশি শাহাবুদ্দীন একজন প্রফেশনাল জুয়াকুর সন্ধ্যা হলেই সে শরীষপুর যাত্রী ছাউনিতে বসে জুয়ার আড্ডা জমায়।
শাহাবুদ্দীন মাদক বিক্রি এবং সেবন উভয় অবস্থাতেই গ্রামের মানুষের কাছে হাতেনাতে দরা খেয়েছে, এবং রিফাতপুর জামে মসজিদে চুরি করেও দরা খেয়েছে সরিষপুর গ্রামে মুবাইল চুরি করেও দরা খেয়েছে, তার ভয়ে গ্রামের কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেন না,সর্ব অবস্তায় অপরাধ করেও সে পার পেয়ে যায়।
রিফাতপুর গ্রামের মুরুব্বি সমাজ যুব সমাজ তাকে মারাত্মকভাবে ভয় পান।

তার প্রতিবেশীরা এবং আশপাশের মেয়েরা মহিলারা সব সময় তার ভয়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকেন, তার প্রতিবেশী অনেক মেয়েকে মহিলাদেরকে ধর্ষণের হুমকি পর্যন্ত দিত প্রতিনিয়ত,তার বেপরোয়া চলাফেরা হুমকি দমকি চুরি সন্ত্রাবাদের শত শত বিচার অভিযোগ হওয়া সত্বেও রিফাতপুর গ্রামের মুরুব্বিরা চুপ করে বসে থাকেন,তার ভয়ে তার বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে তারা যেতে চান না।

ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দিনের বউ তার অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সন্তান নিয়ে ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চলে গেছেন।

তার বউ থাকালীন অবস্তায়ও মৃত মসকন্দর আলীর ১৫ বছর বয়সী মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ভিবিন্নভাবে ইভটিজিং করতো, মৃত মসকন্দর আলীর পরিবারে কুন পুরুষ না থাকায় তার ভয়ে মৃত মসকন্দর আলীর পরিবার এবং স্বজনেরা সেই মেয়েকে আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
এমন কি ধর্ষণনকারী শাহাবুদ্দিন এই অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে তার কাছে বিয়ে না দিলে সে জোরপূর্বক ধর্ষণ করবে বলে মেয়ের পরিবার এবং মেয়ের আত্মীয়স্বজনদের কে হুমকি প্রদান করতো।

সে গ্রামে প্রকাশ্যে বলে বেড়ায় তার বিচার করার মত কেউ এই গ্রামে এখনো জন্ম হয় নাই কারো সাহস নেই এই গ্রামে আমার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার।

দর্শনকারী শাহাবুদ্দিনের ভাই মতিন মিয়া ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা, এই সুবাদে তার ভাইয়ের শেল্টারে মাদক সহ সমস্ত অপরাধ জগতের কার্যক্রম বেপরোয়া ভাবে পরিচালনা করে আসত।

গত দুইদিন আগে ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দীন গভীর রাতে মৃত মসকন্দর আলীর ঘরে প্রবেশ করে প্রবেশ করে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে গলাটিপে দরে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ,ধর্ষণের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক পর্যায়ে মেয়েটি সর্বশক্তি প্রয়োগ করে গলা থেকে ধর্ষণকারীর হাত সরিয়ে প্রানপন চিৎকার করলে পাশের রুমে থাকা পরিবারের অন্যান্যরা এবং পাড়া প্রতিবেশীরা চলে আসেন এবং ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দীনকে সবাই হাতে নাতে আটক করেন।

লোকলজ্জায় এবং গভীর রাত হওয়ায় মৃত মসকন্দর আলীর পরিবার ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দীন এর পরিবারকে ডাক দিয়ে নিয়ে আসা হয় এবং রাতে ঘটনাস্থলে যারা উপস্তিত ছিলেন তাদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে বিষয়টি জানানো হয়নি।

রাতে ধর্ষণকারীর শাহাবুদ্দীন এর পরিবারকে নিয়ে আসা হলে তারা ঘটনাটি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে চলে যায় এবং ঘটনা জানাজানি যেনো না হয় এই মর্মে তারা উল্টো হুমকি দমকি প্রদান করে।

কোন উপায় না পেয়ে পরদিন মৃত মসকন্দর আলীর অসহায় পরিবার মোগলাবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন,মামলা দায়ের করার কারনে অসহায় মসকন্দর আলীর পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দীন এবং তার পরিবারের সকল সদস্যরা।

ধর্ষণকারী শাহাবুদ্দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে এবং যাওয়ার সময় মৃত মসকন্দর আলীর অসহায় পরিবার কে ফিরে এসে একে একে হত্যার হুমকি দিয়ে গেছে রিফাতপুর গোটা গ্রামজোড়ে আতংক বিরাজ করছে।

দুঃখজনক বিষয় হলেও সত্য রিফাতপুর গ্রামে এত পুরুষ মুরুব্বি এবং যুবসমাজ বেচে থাকা সত্বেও তারা এই ধর্ষকের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে পারেন নাই।

মৃত মসকন্দর আলীর অসহায় পরিবারকে সামাজিক এবং আইনিভাবে সহযোগীতা করে পাশে দাড়ানোর জন্য মোগলাবাজার সর্বস্তরের সকলের প্রতি বিশেষ অনুরোধ রইলো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button