

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে বসবাস করেও মানুষ রান্নার জন্য গ্যাস পাচ্ছে না, অথচ নিয়মিত বিল দিতে হচ্ছে। তিনি সংসদে গেলে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব আনার ঘোষণা দিয়েছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভর্তুকি বা ন্যায্য মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
স্বাস্থ্যখাতের চিত্র তুলে ধরে ডা. তাসনিম জারা বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ছয় থেকে সাত লাখ মানুষের বসবাস হলেও মাত্র একটি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। মুগদা হাসপাতালে জনবল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে, ফলে রোগীরা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ সমস্যা সমাধানে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সমন্বয় করে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেবেন।
তিনি জানান, এলাকার পাড়ার ক্লিনিকগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে মিনি হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সারা বছর কার্যকর থাকবে—এমন একটি স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড গঠন করা হবে। নারী স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনায় গর্ভবতী মায়েদের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ব্রেস্টফিডিং স্পেস এবং নারীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।
শিক্ষা খাত প্রসঙ্গে ডা. তাসনিম জারা বলেন, স্কুলে ভর্তিতে সংসদ সদস্য হিসেবে কোনো ধরনের কোটা বা সুপারিশ থাকবে না। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে ভর্তির একমাত্র মানদণ্ড। তিনি আরও জানান, স্কুলগুলোতে আধুনিক বিজ্ঞান ল্যাব, কোডিং ক্লাব ও লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ। যেখানে নাগরিকদের সেবা পেতে বিভিন্ন দপ্তরের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না, বরং সেবাই পৌঁছে যাবে তাদের দোরগোড়ায়।



