

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর আগে প্রস্তুতির শেষ ধাপ হিসেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। ২০২২ সালের পর এই প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পাকিস্তান সফরে গেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না থাকা সাত ক্রিকেটারকে নিয়ে দল পাঠানোয় সিরিজটি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই এই দলকে অস্ট্রেলিয়ার ‘বি’ স্কোয়াড হিসেবে উল্লেখ করছেন। পাকিস্তানের ক্রিকেট বিশ্লেষকদের একাংশ এটিকে স্বাগতিকদের প্রতি অসম্মানজনক বলেও মন্তব্য করেছেন।
পাকিস্তান সফরে যাননি প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড, টিম ডেভিড, নাথান এলিস ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাক্সওয়েল ছাড়া বাকিরা চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। অন্যদিকে বিশ্বকাপ দলে না থাকা শন অ্যাবট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, বেন ডারশুইস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, মিচ ওয়েন, জশ ফিলিপ্পে ও ম্যাথু রেনশকে সিরিজের দলে রাখা হয়েছে। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, প্যাট কামিন্স বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে গেছেন এবং তার জায়গায় টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে যুক্ত হয়েছেন বাঁহাতি পেসার বেন ডারশুইস।
দুর্বল স্কোয়াড পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের কয়েকজন সাবেক তারকা। সাবেক অধিনায়ক মঈন খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়াও পাকিস্তান সফরে তুলনামূলক দুর্বল দল পাঠিয়েছে। তার ভাষায়, এতে মনে হয় যেন কেবল আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার জন্যই সিরিজ খেলতে আসছে তারা।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া দলে ছিলেন কয়েকজন নবাগত। অধিনায়ক মিচেল মার্শ, অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিস, উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিস এবং পেসার শন অ্যাবট ও বেন ডারশুইস একাদশে ছিলেন না। ফলে দল নির্বাচনে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজের প্রতি গুরুত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষক ও লেখক ওমাইর আলাভি বলেন, মূল খেলোয়াড়দের বাইরে রেখে সফরে আসা এবং প্রথম ম্যাচে সেরা একাদশ না নামানো পাকিস্তানি দর্শকদের জন্য হতাশাজনক। একই সুরে সাবেক টেস্ট ব্যাটার ও প্রধান নির্বাচক হারুন রশিদ মন্তব্য করেন, বিশ্বকাপের আগে একই কন্ডিশনে সিরিজ খেলতে এসে সেরা ক্রিকেটারদের না খেলানো বিভ্রান্তিকর সিদ্ধান্ত।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। আজ লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, যা বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় শুরু হওয়ার কথা।



