

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। এবারের মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বেশ কয়েকজন স্থান পেয়েছেন। তবে দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় কয়েকজন হেভিওয়েট নেতার নাম না থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হননি, তাদের মধ্যে রয়েছেন—স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আমানউল্লাহ আমান এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
এছাড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু–ও মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত না হওয়া নেতাদের মধ্যে শামসুজ্জামান দুদু, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী ছাড়া অন্যরা অতীতে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে তাদের বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ চলছে।



