সারাদেশ

আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সেঁজুতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে স্থানীয় সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান পাননি। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র মালু। পরিবারের দাবি, রোববার রাতে তাদের কাছে একটি ফোনকল আসে। ওই কলদাতা সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ফোনকলের প্রায় আধা ঘণ্টা পর সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদ পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি সেঁজুতির বলে শনাক্ত করেন।

শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, “আমার ছোট্ট মেয়েটিকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রাখা হয়েছে। আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button