জাতীয়

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হতে এনওসি পেলেন আবেদুর রহমান সিকদার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে আবেদুর রহমান সিকদারের দায়িত্ব গ্রহণের পথে আর কোনো বড় বাধা রইল না। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ায় তার যোগদানের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বেসরকারি ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আবেদুর রহমান সিকদারের জন্য এই অনাপত্তিপত্র ইস্যু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে চলতি সপ্তাহেই তিনি নতুন ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জুন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাকে এমডি হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়।

ব্যাংকটির চেয়ারম্যান কাজী শায়রুল হাসান জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনাপত্তিপত্র দিয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে দ্রুতই নতুন এমডি দায়িত্ব নেবেন।

এদিকে এমডি হিসেবে নিয়োগের অপেক্ষায় থাকা আবেদুর রহমান সিকদার বলেন, সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে যত দ্রুত সম্ভব তিনি নতুন দায়িত্বে যোগ দেবেন।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন শীর্ষ নির্বাহী না থাকায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতিতে চলছিল। বিশেষ করে পাঁচটি সংকটাপন্ন শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করার পর আমানত ফেরত, বড় লেনদেন অনুমোদন এবং পুনর্গঠন কার্যক্রমে গতি আনার জন্য পূর্ণকালীন নেতৃত্ব প্রয়োজন ছিল।

নতুন এমডি দায়িত্ব নিলে এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা একীকরণ, জনবল ব্যবস্থাপনা এবং আমানত ফেরত কার্যক্রম আরও দ্রুত এগোবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫’-এর আওতায় এসব ব্যাংকের সম্পদ ও দায় একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে আমানতকারীদের দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পরিশোধ কার্যক্রমও শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আর্থিকভাবে সংকটে থাকা এসব ব্যাংক একীভূত করে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে নতুন ব্যাংকটির যাত্রা শুরু হয়েছে, যার মধ্যে সরকারের অংশ ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের জমা শেয়ারে রূপান্তর করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button