

ভোলা শহরের সদর রোডে অবস্থিত হাবিব মেডিক্যাল সেন্টার নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গর্ভের সন্তানসহ সাবিহা আক্তার (১৮) নামের এক প্রসূতির মৃত্যু ঘটেছে।
সাবিহা সদর উপজেলার ধনিয়া তুলাতুলি গ্রামের আবু কালামের মেয়ে এবং বাপ্তা গ্রামের মো. নাহিদের স্ত্রী।
সাবিহার স্বামী নাহিদ জানান, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সাবিহাকে ডেলিভারির জন্য হাবিব মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে ক্লিনিকের নার্স নরমাল ডেলিভারির কথা জানান। কিছুক্ষণ পর নার্স একটি ইনজেকশন প্রয়োগ করলে কয়েক মিনিটের মধ্যে সাবিহা নিস্তেজ হয়ে মারা যান। পৃথিবীর আলো দেখার আগেই তার সঙ্গে মৃত্যু হয় গর্ভের সন্তানেরও। স্বামী নাহিদের দাবি, ভুল ইনজেকশন প্রয়োগের কারণে এ মৃত্যু ঘটেছে।
সাবিহার মৃত্যু সংবাদে স্বজনরা ক্লিনিকে ছুটে এসে বিক্ষুব্ধ হন এবং সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় ক্লিনিকের কর্তব্যরতরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামলান। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, জড়িত নার্স পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। তবে হাসপাতাল থেকে মিজানুর রহমানকে নার্সের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



