

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, বগুড়ার উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। সমালোচনা বা বিরোধিতা করে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে বগুড়ায় তথ্যপ্রযুক্তি-জ্ঞানসম্পন্ন যুবকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলার জন্য নতুন নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি এবং বগুড়ার সাতজন সংসদ সদস্য একসঙ্গে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “সংসদের ভেতরে বা বাইরে যত সমালোচনাই হোক না কেন, বগুড়ার উন্নয়নের বিষয়ে আমরা এক বিন্দুও ছাড় দেব না।”
মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়ায় কোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেই অনেকের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়, সবকিছুই যেন এই জেলায় নিয়ে আসা হচ্ছে। তবে বাস্তবে দেশের সব জেলাতেই উন্নয়ন হচ্ছে। বগুড়ার উন্নয়ন বেশি আলোচনায় আসায় এমন ধারণার সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জোন অফিস বগুড়ায় অনুমোদনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগে এ অঞ্চলের মানুষকে এ সংক্রান্ত কাজে রংপুরে যেতে হতো। এখন বগুড়াতেই জোন অফিস অনুমোদন হওয়ায় সেবা পাওয়া সহজ হবে।
নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো)-এর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী বিভাগ নিয়ে গর্ব থাকলেও নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় হলে তাতে আপত্তির কারণ নেই।
তিনি আরও বলেন, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে বগুড়াই একমাত্র জেলা যেখানে কোনো ফুটবল স্টেডিয়াম নেই। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শহরের তিনমাথা এলাকায় একটি বহুমুখী স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। মুখ্য আলোচক ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।



