

মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে যাওয়ার পথে চাঁদপুর–৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসেনকে কর্মী-সমর্থকরা জিম্মি করে রেখেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার পর হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল এলাকায় একটি বাড়িতে তাকে নিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রশিবির নেতা দাবি করেছেন।
কর্মী-সমর্থকদের দাবি, ১০ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এলডিপির নেয়ামুল বশিরকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই তারা মাওলানা আবুল হোসেনকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
তবে এ অবস্থার মধ্যেই চাঁদপুর–৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসেনের স্বাক্ষর করা মনোনয়ন প্রত্যাহারপত্র তার কয়েকজন কর্মী জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮ জনে।
জেলা রিটার্নিং অফিসারের সহকারী কমিশনার বিশাল দাস জানান, চাঁদপুর–৩ (চাঁদপুর সদর–হাইমচর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ এবং জাকের পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম সশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া চাঁদপুর–২ (মতলব উত্তর–দক্ষিণ) আসনে এবি পার্টির প্রার্থী রাশেদা আক্তারও তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
জামায়াত ও এলডিপি প্রার্থীদের ঘিরে এই পরিস্থিতি চাঁদপুর জেলায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ১০ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী থাকার কারণে চাঁদপুর–১ ও চাঁদপুর–২ আসনেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।



