জাতীয়

সিলেটে লোডশেডিংকে পুঁজি করে চোরাই আইপিএসের কারবার, ৪৬ মেশিনসহ গ্রেপ্তার ১

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

সিলেটে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট ও ঘনঘন লোডশেডিংকে পুঁজি করে চোরাই পথে ভারতীয় আইপিএস মেশিন আনার প্রবণতা বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে গোয়াইনঘাটে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৬টি আইপিএস মেশিন ও একটি পিকআপ গাড়িসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।

বর্তমানে সিলেট নগর ও আশপাশের এলাকায় দিন-রাতে দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় ৭ থেকে ৮ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। তীব্র গরমের মধ্যে কোথাও কোথাও টানা দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। আবার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই ফের বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাতের লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক ঘুম।

এমন পরিস্থিতিতে গত ১০ আগস্ট বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে গোয়াইনঘাট থানার সালুটিকর বাজার এলাকার ট্রাকস্ট্যান্ডের সামনে কোম্পানীগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট বসায় জেলা ডিবি পুলিশের একটি দল। এ সময় একটি পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৬টি আইপিএস মেশিন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বুড়দেও এলাকার জামাল মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (৩৯)কে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা আইপিএস মেশিনগুলোর মধ্যে অ্যামেজ, লুমিনাস ইভো-ডি, লুমিনাস সোলার এনএক্সজি, লুমিনাস শক্তি চার্জ নিও ও লুমিনাস ইভো-ডি ২৩শ’সহ বিভিন্ন মডেল রয়েছে। মেশিনগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত নীল রঙের একটি মাহিন্দ্রা ম্যাক্সিমো এইচডি সিরিজের পিকআপ গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-ন-১৫-৮১৫৭) জব্দ করা হয়েছে। গাড়িটির আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা।

সব মিলিয়ে উদ্ধার করা আইপিএস মেশিন ও পিকআপসহ জব্দকৃত আলামতের মোট আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button