

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে প্রচলিত ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ পুনরায় কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। তাঁর দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় কমানো গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান শাহাদাত হোসেন সেলিম। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে তিনি সামাজিক ব্যয় সংকোচনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর মিতব্যয়িতার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, অপচয় তিনি পছন্দ করেন না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, লন্ডনে সাক্ষাতের সময় তারেক রহমান অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়িয়ে চলতেন।
বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যয়, জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন এবং কোরিওগ্রাফার দিয়ে নাচের ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন ধর্মীয় অনুশাসনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাঁর মতে, সমাজে অপচয়ের সংস্কৃতি কমিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, অতীতে চালু থাকা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন পুনর্বহাল করা হলে সামাজিক অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমবে। তিনি দাবি করেন, মানুষ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে মুদ্রাস্ফীতিও কমে আসবে এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বাজেট আলোচনায় তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি ও দুর্নীতিরও সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, অনিয়ম প্রতিরোধ এবং নির্ধারিত সময়সীমা মেনে কাজ শেষ করা গেলে প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন সহজ হবে।
তিনি সরকারের প্রতি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।



