সারাদেশ

মাঠে এখন শুধুই লাল-সবুজের রাজত্ব! বড় দলগুলোর বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে জেতাটা এখন আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে

টেস্ট মানেই উথান পতনের খেলা। কখনো চালকের আসনে তো কখনো আবার ব্যাকফুটে। সাফল্য পেতে লেগে থাকতে হয়। সেই সফল হওয়ার টোটকা শিখে ফেলেছে বাংলাদেশ। কোনো সেশনে পিছিয়ে পড়লেও সেটা তারা কাটিয়ে উঠতে পারে। নাজমুল হোসেন শান্ত তাই বলেই দিয়েছেন, বড় দলগুলোই এভাবে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বাংলাদেশ বড় দল হয়ে উঠেছে, অধিনায়কের কথার মানে তো এটাই দাঁড়ায়।

সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনেই জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে প্রথমবার টেস্ট সিরিজে হারানোর আনন্দটা তো কম না! সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যে পঞ্চম দিন শুরুতেই আসবে, এটাই ধরে রেখেছিল সবাই। কিন্তু রিজওয়ান-সাজিদ জুটির কারণে অপেক্ষাটা সামান্য বেড়েছে। অবশেষে তাইজুল ইসলাম জুটি ভাঙতে বাংলাদেশ দলে ফিরল স্বস্তি।

অপেক্ষার ওই এক ঘণ্টা কীভাবে কাটিয়েছে বাংলাদেশ? শান্ত জানিয়েছেন, ‘এই এক ঘণ্টার আবেগ ব্যাখ্যা মুশকিল। কারণ, আমরা একটু চাপে পড়েছিলাম। একটা জিনিস বলতে পারি, আগের টেস্টগুলো থেকে এই জিনিসটা আমরা শিখেছি। এমন অবস্থায় আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা, প্যানিকড না হওয়া – এগুলো…। বড় দলগুলো যেমন করে, ওরা এই পরিস্থিতিতে প্যানিকড হয় না। আমাদের আরও একটু উন্নতির দরকার আছে।’

 

মিরপুর টেস্টে আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরি আর মোহাম্মদ আব্বাসের পাঁচ উইকেট এক পাশে সরিয়ে রাখলে বাংলাদেশের বিপক্ষে পুরো সিরিজে পাকিস্তানকে খুঁজেও পাওয়া যাবে না। টেস্টে একদিনের কোন দল কোন সেশন জিতল, সেটারও একটা হিসেব হয়। সেখানেও লাল-সবুজ বাহিনীর ধারেকাছেও নেই পাকিস্তান। নিজেদের চেয়ে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা কোনো দলকে এমন দাপট দেখিয়ে হারানোর সাফল্য এবারই প্রথম বাংলাদেশের।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button