আমার ভোট আমি দিব যাকে খুশি তাকে দিব, এটা আমার জন্মগত অধিকার
লাখাইয়ে পথসভায় বিএনপির প্রার্থী জিকে গউছ


আশীষ দাশ গুপ্ত লাখাই প্রতিনিধি।।
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ১নং লাখাই ইউনিয়নে দিনভর লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রেখেছেন হবিগঞ্জ লাখাই শায়েস্তাগঞ্জ আসন হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক আলহাজ্ব জি কে গউছ। তিনি শনিবার সকাল থেকেই দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেন। তিনি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যান, তাদের সমস্যার কথা শুনেন, সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
জি কে গউছ বলেন- বাংলাদেশের মানুষ রক্ত দিয়ে এই দেশ স্বাধীন করেছে। আমার ভোট আমি দিব যাকে খুশি তাকে দিব, এটা আমার জন্মগত অধিকার। আমার এই অধিকার থেকে আমাকে কেউ বঞ্চিত করতে পারে না। কিন্তু আওয়ামীলীগ জোর করে মানুষের সেই অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। কারও করুণায়, কারও দয়ায় আমরা ভোট সেন্টারে যেতে চাই না। কারণ ভোট সেন্টারে গিয়ে ভোট দেয়া এটা আমার সাংবিধানিক অধিকার।
তিনি বলেন- ভোটার হয়েছে কিন্তু গত ১৭ বছর দেশের তরুণ-তরুণীরা ভোট দিতে পারে নাই, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। গত ৩টি নির্বাচনে যে মানুষগুলো ভোট সেন্টারে গিয়েছে প্রিজাইটিং অফিসাররা বলেছেন চাচা আপনার ভোট দেয়া হয়ে গেছে। এটাই ছিল ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগের গণতন্ত্র।
জি কে গউছ বলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক সার, বীজ, কিটনাশক সহ কৃষি উপকরণ পাবে। রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা পাবে। বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ সহ মওকুপ করেছিল। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের বাচাঁতে হলে রাষ্ট্র তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করছেন।
জি কে গউছ বলেন- বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। এ জন্য খালেদা জিয়া মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছিলেন। এই শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সমাজে নারীরা আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের মেয়েদের অগ্রগতি হয়েছে, নারী শিক্ষার হার বেড়েছে। খালেদা জিয়া বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালিন ভাতা চালু করেছিলেন। বিএনপি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছে মায়েদের কল্যাণে কাজ করেছে।
তিনি বলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মায়েদের সম্মানে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন ফ্যামেলী প্রধান নারী প্রতি মাসে চাল ডাল সহ দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী পাবেন। যার মাধ্যমে পরিবারগুলোতে স্বচ্ছলতা আসবে, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, মর্যাদা বাড়বে এবং ক্ষমতায়ন হবে।
জি কে গউছ বলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক সার, বীজ, কিটনাশক সহ কৃষি উপকরণ পাবে। রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা পাবে। বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ সহ মওকুপ করেছিল। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের কৃষকদের বাচাঁতে হলে রাষ্ট্র তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করছেন।
তিনি বলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে দেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন পুরোহিতদের জন্য সরকারি ভাতা, বেকার যুবকদের কারিগরি শিক্ষা, কর্মক্ষম খাত গড়ে তোলার জন্য অনেক পরিকল্পনা নিয়েছে। বিএনপির পরিকল্পনা আছে, প্রতিশ্রুতি আছে এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করব। নির্বাচনী প্রচারণায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল, লাখাই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামছুদ্দিন আহমেদ, ঢাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফ আহাম্মেদ রুপন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহজাহান মিয়া, লাখাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল খসরু,উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল উপজেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাশ গুপ্ত, উপজেলা বিএনপির সদস্য রানা তালুকদার, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা কামরুজ্জামান, রহিছ উদ্দিন মাস্টার,সাধারণ সম্পাদক ইব্রহিম মিয়া ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওহাব, এডভোকেট কাউসার মিয়া, মিন্টু লাল দাস ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, রহমত উল্লাহ মুরাদ, উপজেলা বিএনপির সদস্য ইয়াহিয়া তালুকদার, আজিজুল হক, গিয়াস উদ্দিন নাজিম মাস্টার ফিরোজ মিয়া, ছাত্রদল সভাপতি শাকির আহমেদই উনিয়ন জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক বাতেন মিয়া প্রমুখ।



