

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে গাইডলাইন প্রণয়নের বিষয়ে ভাবছে সরকার। একই সঙ্গে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় ফ্যাক্ট-চেকিং সক্ষমতা বাড়ানো এবং এআই সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে এআই এখন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে এর ইতিবাচক ব্যবহারের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিপফেক, মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও বাড়ছে, যা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এআই ব্যবহারের জন্য একটি গাইডলাইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বব্যাপী আলোচিত একটি বিষয়। তাই এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, শুধু আইন প্রণয়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। সঠিক তথ্য প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এআইয়ের সুফল নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য শনাক্তে ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল এআই প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নীতিমালা নিয়মিত হালনাগাদ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী পরামর্শক প্যানেল গঠনেরও সুপারিশ করেছেন তারা।
দি এআই কালেক্টিভ বাংলাদেশের প্রধান মোহাম্মদ আসিফ বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন ও তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা জরুরি। একই সঙ্গে এআই খাতে দক্ষ জনবল ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইয়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি এর অপব্যবহার রোধে সমন্বিত নীতিমালা, জনসচেতনতা এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন।


