

অসুস্থতার কারণে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের বাংলাদেশ জাসদ মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উজিরপুর প্রেসক্লাবে প্রার্থীর পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের সকল কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেন জাসদ প্রার্থীর উজিরপুর উপজেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম করীম খান।
তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থতার কারণে প্রার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় নিজে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণে তিনি নেতাকর্মী ও ভোটারদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। তবে শফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা যারা ধারণ করে, সেই প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে লিফলেট বিতরণ, ব্যানার টাঙানো, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। উজিরপুর ও বানারীপাড়া উপজেলায় তার প্রচারণায় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল।
দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগলেও দলের আহ্বান ও জনগণের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে মাঠে সক্রিয় ছিলেন প্রার্থী। কিন্তু ৪ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে চিকিৎসকরা সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেন। বর্তমান শারীরিক অবস্থায় নির্বাচনি কার্যক্রম চালানো সম্ভব না হওয়ায় অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রচারণা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম করীম খান।
এদিকে পটুয়াখালী-৪ আসনের গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী রবিউল হাসানও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) কলাপাড়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে নিজ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।



