অন্যান্য

‎নিজ মেয়েকে মারধোর করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলার অভিযোগ ‎ ‎

স্টাফ রিপোর্টার

সিলেট সদর উপজেলার ৩ নং খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেবের বাজার এলাকার ছালির মহল গ্রামের চিহ্নিত মাদক কারবারি আব্দুর রহিম নিজের মেয়েকে মারধর করে প্রতিপক্ষের ওপর মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ছালির মহল গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে আব্দুর রহিম।

‎স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জুন জায়গা-সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ছালির মহল গ্রামের আব্দুর রহিম একই এলাকার দেবাইর বহর গ্রামের আব্দুল খালিকের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বৃদ্ধ আব্দুল খালিককে গুরুতর আহত করে।

আহত আব্দুল খালিক গুরুতর আহত হলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল খালিকের পক্ষ থেকে সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় আব্দুর রহিমকে অভিযুক্ত করে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।মামলা নং ৩/২৬

‎সরেজমিনে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এয়ারপোর্ট থানায় দায়েরকৃত মামলাটি আপোষে বাধ্য করতে মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকিসহ আব্দুল খালিকের পরিবারকে চাপে ফেলতে এক অভিনব ও নৃশংস কৌশল অবলম্বন করেছেন অভিযুক্ত আব্দুর রহিম। তিনি নিজের আপন মেয়েকে রবিবার সকালে মারধোর করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ওসমানী মেডিক্যালে ভর্তি করে মেডিক্যাল স্লিপ দিয়ে মামলার পায়তারা করছেন। বিশ্বস্তসূত্র জানায়,মূলত আব্দুল খালিকের দায়ের করা মামলার কাউন্টার (পাল্টা) মামলা হিসেবে নিজের মেয়েকে ঢাল বানিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

‎ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আব্দুর রহিম নিজের করা অপরাধ ঢাকতে এখন নিজের মেয়েকে মারধোর করে হাসপাতালে নিয়ে নাটক সাজানোর চেষ্টা করছে, যাতে খালিক মিয়ার পরিবারের ওপর পাল্টা মামলা দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা যায়। তারা জানান,চিহ্নিত ইয়াবাও মাদক কারবারী আব্দুর রহিম খারাপ প্রকৃতির লোক হওয়ায় ইজ্জতের ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার কিংবা ভুক্তভোগী হলে মামলা করার সাহস পায়না।তাকে খাদিমনগর ইউনিয়নের একটি মাদক কারবারি চক্র নানাভাবে শেল্টার দিয়ে সকল অপরাধ কর্মকাণ্ড করিয়ে নেয়।

স্হানীয় এলাকাবাসী,মাদক কারবারি আব্দুর রহিমের নোংরামি কাজের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল খালিককে প্রশাসনের আইনি সহযোগিতা করার আহবান জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button