

আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, যেখানে তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহের সংজ্ঞা অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে সেখানে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে, পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে থাকলেও আবহাওয়া অফিস শৈত্যপ্রবাহ ঘোষণা করেনি। এর কারণ, বিচ্ছিন্নভাবে এক এলাকায় তাপমাত্রা এমনটা থাকলে তাকে শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয় না।
গতকাল শুক্রবার দেশের তিন জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল, এবং আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী দুই দিন তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তারপর তা আবার বাড়তে পারে। তবে, যদি তাপমাত্রা আরও বাড়তে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠছে—এ মাসে আর শৈত্যপ্রবাহ হবে কি না?
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, আজ দেশের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। তিনি বলেন, “পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলেও একমাত্র এই এলাকায় তাপমাত্রা এমন থাকলে তাকে শৈত্যপ্রবাহ বলা যায় না।”
তিনি আরও বলেন, “২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তবে পরবর্তীতে তা হতে পারে কি না, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।”
এ মাসের অর্ধেক সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও শীত কমে যাচ্ছে। এখন মাঘ মাস শুরু হয়েছে এবং প্রচলিত কথাটি মনে রাখা যায়, “বাঘ পালিয়ে যায়”। তবে, এখনও শীত কমছে। এমন অবস্থায়, জানুয়ারি মাসে আর শৈত্যপ্রবাহ হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়। তবে, এর মানে এই নয় যে শীত একেবারে শেষ হয়ে যাবে। কারণ, বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাসেও তীব্র শীত পড়ার ঘটনা ঘটেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে নতুন করে শৈত্যপ্রবাহ হবে না, তা বলা যায় না।”



