

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
চাকরির পরীক্ষার (ইন্টারভিউ) জন্য ঢাকা গিয়েছিলেন সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার মাহবুব সরোয়ার রাজন (৩০)। পরীক্ষা শেষে শুক্রবার ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হলেও আর বাড়ি ফেরা হয়নি তার। দুই দিন পর রোববার হবিগঞ্জ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজন জকিগঞ্জ উপজেলার গন্ধগত্ত এলাকার বাসিন্দা। রোববার দুপুরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ–সাটিয়াজুরি রেলপথের মধ্যবর্তী দাসপাড়া এলাকায় রেললাইনের পাশের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা তার পরিচয় নিশ্চিত করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাজন ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেন।
নিহতের বড় ভাই মাহবুব হাসান মুন্না জানান, রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, হবিগঞ্জের বহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের দাশপাড়া এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর। পরে সেটি রাজনের বলে শনাক্ত করা হয়।
রাজনের চাচা কামরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সর্বশেষ অবস্থান রাত আড়াইটার দিকে হবিগঞ্জের বহুবল এলাকায় শনাক্ত করেছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে বিয়ে করেছিলেন মাহবুব সরোয়ার রাজন।
এ বিষয়ে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পরিবারের কাছ থেকে ঘটনাটি জেনেছেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
এ ঘটনায় শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, স্বজনদের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।



