

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট রাতে ‘এক দফা’ ঘোষণার আগে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, সমন্বয়ক মাহিন সরকারকে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে প্রতিহত করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ‘ওরা যেহেতু জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করেছে, তাই তারা শহীদ মিনারে এলে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’
তিনি আরও দাবি করেন, মাহিন সরকার সেদিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হতে না পারায় পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা এবি জুবায়েরকে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের ওপর নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
রাশেদ খানের দাবি, উদ্দেশ্য ছিল—এক দফা ঘোষণায় তারা যেন কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারেন। যদি এমন কোনো চেষ্টা করা হতো, তাহলে তা প্রতিহত করার দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল এবি জুবায়েরের।
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে রাশেদ খান লেখেন, ‘এটাই জুলাইয়ের প্রকৃত ইতিহাস। এই ইতিহাস বিকৃত করার কোনো সুযোগ নেই। জুলাই মাসে জুলাইয়ের প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হোক।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সরকারের পদত্যাগের ‘এক দফা’ দাবি ঘোষণা করেন। সে সময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার মন্ত্রিসভাকে পদত্যাগ করতে হবে। আর এক মিনিটও এই সরকার ক্ষমতায় থাকবে না। এক দফা, এক দাবি—শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
তবে রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



