

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
ফুটবলে একটি বহুল প্রচলিত কথা আছে—আক্রমণ ম্যাচ জেতায়, আর শক্ত রক্ষণ এনে দেয় শিরোপা। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত স্পেনের পারফরম্যান্স যেন সেই কথারই প্রতিফলন। টুর্নামেন্টে চার ম্যাচ খেলেও এখনো কোনো গোল হজম করেনি দলটি।
শেষ ষোলোর ম্যাচে এবার স্পেনের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল। শক্তিশালী এই দলটির আক্রমণভাগও যদি ঠেকিয়ে দিতে পারে লা রোজারা, তাহলে ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুটি নতুন রেকর্ড গড়বে তারা।
উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত নিজেদের চারটি ম্যাচেই ক্লিন শিট রেখেছে স্পেন। এর আগে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়েও গোল হজম করেনি তারা। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচ ধরে প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি স্পেন।
পর্তুগালের বিপক্ষেও যদি স্পেন গোল না খায়, তাহলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা ছয় ম্যাচ ক্লিন শিট রাখার কীর্তি গড়বে তারা।
এ মুহূর্তে এই রেকর্ডে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে রয়েছে স্পেন। ২০০৬ ও ২০১০ বিশ্বকাপ মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি সুইসরা। এবার সেই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ স্পেনের সামনে।
স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমনও এরই মধ্যে একটি বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। বিশ্বকাপে টানা ৫১৯ মিনিট ধরে তিনি নিজের জালে বল ঢুকতে দেননি। এর আগে ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গার ৫১৭ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল।
এবার স্পেনের সামনে রয়েছে দলীয় আরেকটি রেকর্ডের হাতছানি। ১৯৯৪ থেকে ২০১০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা ৫৫৯ মিনিট কোনো গোল হজম করেনি সুইজারল্যান্ড। পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে প্রথম ৪১ মিনিট গোল না খেলেই সেই রেকর্ডও স্পেনের দখলে চলে যাবে।
বাংলাদেশ সময় সোমবার দিবাগত রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর এই ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্পেন ও পর্তুগাল।



