খেলাধুলা

আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই না আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন: ইয়ামাল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে স্পেনের তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল ম্যাচটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে কোনো প্রতিপক্ষকেই ভয় পায় না স্পেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স। ম্যাচকে ঘিরে সংবাদ সম্মেলনে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বার্সেলোনার ১৯ বছর বয়সী এই তারকা।

সোমবার ১৯ বছরে পা রাখা ইয়ামাল বলেন, ‘এটাই নিঃসন্দেহে আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। আমরা সবাই রোমাঞ্চিত, বিশেষ করে আমি। আমার বিশ্বাস, এটি একটি বিশেষ দিন হতে যাচ্ছে।’

জন্মদিনের সেরা উপহার কী হতে পারে—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ফ্রান্সকে হারিয়ে নিউইয়র্কে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠাই হবে আমার সবচেয়ে বড় উপহার।’

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা ফ্রান্সকে এবারের আসরের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী ধরা হচ্ছে। দিদিয়ের দেশমের দল টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ছয়টি ম্যাচই জিতেছে। এই সময়ে তারা ১৬টি গোল করেছে, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র দুটি।

তবে প্রতিপক্ষের এমন দুর্দান্ত পরিসংখ্যানেও বিচলিত নন ইয়ামাল। তিনি বলেন, ‘আমি ফ্রান্সকে ভয় পাই না। আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন, তাই কোনো দলকেই ভয় করার কারণ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দলেও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে। তাদের আক্রমণভাগ শক্তিশালী হলেও সেটিকে আমরা নেতিবাচকভাবে দেখছি না। বরং এটি আমাদের জন্য ইতিবাচক হতে পারে। আমি মনে করি, ম্যাচটি খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।’

চোট কাটিয়ে ফেরার পর পর্তুগাল ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন ইয়ামাল। চলতি বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে এখন পর্যন্ত তার গোল একটি।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনারাই বলছেন আমি সেরা ছন্দে নেই, তাই আমার কাছ থেকে খুব বেশি আশা করবেন না। তবে আমি আত্মবিশ্বাসী, সবকিছু ঠিকঠাকই হবে। গোল করা নিয়ে আমি চিন্তিত নই, যদিও এমন ম্যাচে গোল করা সব সময়ই বিশেষ। আমি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি বলেই এখানে আছি।’

চাপ সামলানোর বিষয়ে ইয়ামাল বলেন, ‘আমি কোনো চাপ অনুভব করি না। আমি সব সময় নিজের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলি এবং দলের জন্য সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। যখন নিজের শতভাগ দিয়ে খেলো, তখন চাপ বলে কিছু থাকে না।’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button