জাতীয়

মহেশখালীর পাহাড়ে অভিযানে ১৫ অ/স্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে ১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ইমাম হোসেন ওরফে মিন্টু (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোর থেকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের বিস্তারিত জানায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড জানতে পারে, কেরুনতলীসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করছে এবং সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৬টার দিকে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালী স্টেশনের সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ইমাম হোসেনের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৫টি একনলা বন্দুক, ৯টি পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৩২ রাউন্ড গুলি, ৪টি খালি কার্তুজ, একটি দেশীয় অস্ত্র, ৩ লিটার দেশীয় মদ এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সময় ইমাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোস্টগার্ডের দাবি, হোয়ানক এলাকার বাসিন্দা ইমাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহ, জলদস্যুতা, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র তৈরির একাধিক ভ্রাম্যমাণ কারখানা সক্রিয় রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে র‌্যাব, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে এসব কারখানার কয়েকটি উচ্ছেদ এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

কক্সবাজারের মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে ১৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ইমাম হোসেন ওরফে মিন্টু (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোর থেকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের বিস্তারিত জানায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড জানতে পারে, কেরুনতলীসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করছে এবং সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সকাল ৬টার দিকে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, বাহারছড়া, ইনানী, কক্সবাজার ও মহেশখালী স্টেশনের সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে ইমাম হোসেনের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৫টি একনলা বন্দুক, ৯টি পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৩২ রাউন্ড গুলি, ৪টি খালি কার্তুজ, একটি দেশীয় অস্ত্র, ৩ লিটার দেশীয় মদ এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। একই সময় ইমাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোস্টগার্ডের দাবি, হোয়ানক এলাকার বাসিন্দা ইমাম হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহ, জলদস্যুতা, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মোট ১৫টি মামলা রয়েছে।

কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মহেশখালীর দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র তৈরির একাধিক ভ্রাম্যমাণ কারখানা সক্রিয় রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময়ে র‌্যাব, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে এসব কারখানার কয়েকটি উচ্ছেদ এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button